-
This is Slide 1 Title
This is slide 1 description. Go to Edit HTML and replace these sentences with your own words. This is a Blogger template by Lasantha - PremiumBloggerTemplates.com...
-
This is Slide 2 Title
This is slide 2 description. Go to Edit HTML and replace these sentences with your own words. This is a Blogger template by Lasantha - PremiumBloggerTemplates.com...
-
This is Slide 3 Title
This is slide 3 description. Go to Edit HTML and replace these sentences with your own words. This is a Blogger template by Lasantha - PremiumBloggerTemplates.com...
রাত জাগার গল্প
এই বেলায়
এই বেলায়
মিতুল আহমেদ
নিজেকে নিয়ে
শুভ রাত্রি
বিয়েটা এবার করেই ফেললাম
বিয়েটা এবার করেই ফেললাম
মিতুল আহমেদ
মুগ্ধ তোমাতে
মুগ্ধ তোমাতে
মিতুল আহমেদ
দিশেহারা
দিশেহারা
মিতুল আহমেদ
বৃষ্টি বিলাস
বৃষ্টি বিলাস মিতুল আহমেদ
বৃষ্টির শব্দ ছোট্ট একটা ঘর, আমি আর আদরের বউ! ভীষণ খুনসুটি দেখবে না কেউ। চোখে চোখে কথা হবে! আদর বিনিময় হবে হাতে, মুখের শব্দ যাবে হারিয়ে! আমি যে বিভোর তোমাতে। ঠোঁটে ঠোঁটে হবে চুম্বন বিনিময়, তোমার চুলের গন্ধে হারাতে চাই, বৃষ্টিতে মিলে গেছে আকাশ মাটি তোমাকে কি কাছে পেতে পারি? নেশা ধরেছে আজ আমার অঙ্গে, এসো করি বৃষ্টি বিলাস এক সঙ্গে! ভীষণ আদরে কাছে টেনে নিয়ে, মেতে উঠি চলো আদিম প্রেমে!ঈদ এলো
ঈদ এলো
মিতুল আহমেদ
দোকা নাকি একা?
অস্থিরতা
মিতুল আহমেদ
একা থাকা ভীষণ অস্থিরতা! দোকা হবো ভাবনা ভাবি, দোকা নাকি একা? কি মুশকিল বড্ড অস্থিরতা। দেখেছি যাদের দোকা হতে! তারা কেউ ই বলে না যেতে, দোকা হওয়ার ওই পথে বার বার বলে ভীষণ কুটিলতা। কিন্তু আমার কাছে? একা থাকা ভীষণ অস্থিরতা! দেখেছি যাদের উঠতি বয়স, দোকা হতে করে ফোস ফোস। একা থাকা নাকি ভীষণ দোষ, দোকা হতে তাই কতো আকুলতা। দোকা নাকি একা? কি মুশকিল বড্ড অস্থিরতা।তোমার অপেক্ষায়
তোমার অপেক্ষায়
মিতুল আহমেদ
জীবনের পথ ধরে, ভালো লাগা না ছুঁয়ে। আজও আছি তোমার অপেক্ষায়! তুমি কি আছো? সে পথের প্রান্তে, যে পথ বিশ্বাসে পাড়ি দেয়া যায়। দুজনের মনোভাবে, জীবন জুড়াবে শেষে! রয়ে যাবো যদি অমর হওয়া যায়।
তুমি ডেকেছো বলে!
তুমি ডেকেছো বলে!
মিতুল আহমেদ
তুমি ডেকেছো বলে! ফুল কুড়ানোর চেষ্টা টা! জানি না কি কুড়াবো? ফুল! নাকি বেল পাতা। তুমি ডেকেছো বলে! ফুল কুড়ানোর অভ্যাস পেলাম, পেলাম গাঁথার ছন্দ, মালা খানি হাতে তুলে নিলাম, বলো আমায় কিছু ভালো-মন্দ!
তোমাকে চাই
তোমাকে চাই
মিতুল আহমেদ
তোমায় দেখেই মনের কোণে,
নতুন জগৎ হলো সৃষ্টি!
বানাবো সেথায় দুজন মিলে,
নয়া জীবনের কৃষ্টি।
তোমার ভাষার আলোক ছটায়
সে জগৎ পাবে, নয়া দৃষ্টি!
তোমার চোখের অবাক দৃশ্য,
সাজাবে মরু পৃষ্ঠ।
তোমার চলার নতুন ছন্দ,
বাঁধবে সেথায় গান!
তোমার হাসির ঝলক দেখে,
আসবে খুশির বান!
মনের যে ছবি টা,
আসলে কি তুমি তাই?
ভালোবাসি আমি!
এই তু্মিটাই চাই।
মানুষ ভালোবাসি
মানুষ ভালোবাসি
মিতুল আহমেদ
মনের কাছে, দেহের পাশে
কৃত্রিম হাসি, সবাই হাসে।
জানি সবাই আছে দুঃখে,
দাঁত কেলিয়ে দেখায়!
আছি কতো সুখে।
সবাই কন্তিু সবই জানে!
সংসার নামের নদীর উজানে,
তবু! আশার ভেলায় ভাসে।
মনের কাছে, দেহের পাশে
কৃত্রিম হসি, সবাই হাসে।
দুঃখকে আড়াল নয়,
করতে হবে জয়!
সুখ আবার আসবে ফিরে,
আপন প্রচেষ্টায়।
হাসবে না কেউ কৃত্রিম হাসি,
বলবে সবাই মানুষ ভালোবাসি।
সরলী করণ
সরলী করণ
মিতুল আহমেদ
শহরটা ভীষণ ফাঁকা!
আকাশে ওড়া পাখি,
দেখেছো কি কখনো একা?
কখনো দেখেছো?
অসহায় মানুষ,আহাজারীর মৃত্যু,
আর স্বপ্ন ভাঙ্গা আর্তনাদ।
শহরটা আজ ভীষণ ফাঁকা!
চিন্তার রং জানো,
দেখেছো কি তাতে কতো ছবি আঁকা?
কখনো দেখেছো?
ঝরে যাওয়া ফুল, শুকনো পাতা,
নীল আকাশ দেখার আকাঙ্খা।
শহরটা আজ ভীষণ ফাঁকা!
সুপ্ত আগ্নিওগীরিকে জানো,
দেখেছো কি তাতে ধ্বংস হওয়া হৃদয়?
কখনো দেখেছো?
অশ্রু ভেজা চোখ, নির্বাক মুখ,
আকাঙ্খা তীব্র ভোগের সুখ।
মনে মনে
মনে মনে
মিতুল আহমেদ
মনে মনে ভালোবাসি তাকে !
প্রকাশ করতে যে বাঁধে,
মনে মনে কতো সুর স্বাধে!
সব উড়ে যায়,
যখনই সে সামনে দাঁড়ায়।
মনে মনে রাজ্য সাজায়
দিক-বিদিক ঘুরে বেড়ায়!
যখনি সামনে পড়ে যায় আমি,
আমায় ধরে কতো ন্যাকামি!
বলতে পারিনি কোন দিন সেথা
তুমিও বোঝনি আমার অস্থিরতা
আজও আমি অপেক্ষায় বসে একা,
নিজের মধ্যে পাই তোমার দেখা।
নারী দিবস
নারী দিবস
মিতুল আহমেদ
তোমরা যে, নারী দিবস পালন করো!
কিসের তরে এমন দিবস সে কথা কি জানো?
কেন জানি না, তোমরা দিবস পালন করো?
সবেতেই নারীর অগ্রাধিকার কিসের জন্য লড়ো?
ভারি ভারি মেকাপ করো, নানান রঙের শাড়ি পরো।
ঘর ছেড়ে আজ বাইরে কেন, মিটিং মিছিল করো?
কেন জানি না, তোমরা দিবস পালন করো?
দিবসের নামে নিজের সম্মান, করো না কলুষিত।
কিসের নেশায় ছুটছো তুমি, দিক-বিদিক এতো?
হে নারী,
অধিকার নিতে জ্ঞানার্জন করো!
পড়াশোনা করো, সচেতন করো!
কেন জানি না, তোমরা দিবস পালন করো?
হে নারী,
ছেড়ে এসো না তোমার ঘর।
যতুই ডাকুক, আছে যতো বরবর!
যদি বুঝে নাও নিজের অধিকার,
থাকবে সবার মাথার উপর।


















