জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

  • This is Slide 1 Title

    This is slide 1 description. Go to Edit HTML and replace these sentences with your own words. This is a Blogger template by Lasantha - PremiumBloggerTemplates.com...

  • This is Slide 2 Title

    This is slide 2 description. Go to Edit HTML and replace these sentences with your own words. This is a Blogger template by Lasantha - PremiumBloggerTemplates.com...

  • This is Slide 3 Title

    This is slide 3 description. Go to Edit HTML and replace these sentences with your own words. This is a Blogger template by Lasantha - PremiumBloggerTemplates.com...

সম্পর্ক

সম্পর্ক

মিতুল আহমেদ

 

 জীবন ভরই করে গেলি অভিনয়,
শেষ বেলাতে দেখবি কেউ কারো নয়৷

আজ যাকে ডাকছো প্রাণের ভাই,
আসবে সময় দেবেনা তোমার পরিচয়৷
 
মায়ের পেটের প্রিয় বোনটি তোমার,
ডাকবে না সে ভাই বলে আর৷

যে ছিলো তোমার প্রথম গুরু,
যার হাত ধরে পথ চলা শুরু৷
বাবা বলেই ডাকিস যে তারে,
একটা সময় রাখবে না তাকে সংসারে৷

যে দিলো জন্ম তোরে
মা বলে যে ডাকিস তারে৷
পরের মেয়ে আসলে ঘরে,
মাকে কি আর মনে পড়ে৷

এমনি করেই সব কিছু হয় শেষ,
তবু অভিনয় করিস তো বেশ৷


অতঃপর কবিতা

আয়ুর সর্বনাশ

আয়ুর সর্বনাশ

                মিতুল আহমেদ 


দেহের যত্ন করেই গেল তোর বারো মাস
খুজলিনে তোর মনে এতো কিসের আশ?
আস্তে আস্তে হচ্ছে যে তোর আয়ুর সর্বনাশ (৷৷)

দেহের যত্নে লাগাসরে তুই কতো রকম ক্রিম
খুজলিনে তুই একবারো তোর মনের রতী ভিম!
দেহটা তোর কতো রঙ্গিন মনে করে হাসফাস৷
আস্তে আস্তে হচ্ছে যে তোর আয়ুর সর্বনাশ (৷৷)

দেহের জন্য কিনলি রে তুই কতো খাদ্য পোশাক
খুজলিনে তোর মনের ক্ষুধার কি খোরাক!
ভাবলিনে তুই মনটা কি তোর বাঁচবে খেয়ে ঘাস৷
আস্তে আস্তে হচ্ছে যে তোর আয়ুর সর্বনাশ (৷৷)
 
অতঃপর কবিতা

কর্ম কি তোমার

কর্ম কি তোমার

মিতুল আহমেদ

 

কর্ম কি তোমার ও মন কর্ম কি তোমার
এমন ও মানব জনম হবে না তো আর৷
এমন ও মানব জনম পাবে না তো আর৷

সময় থাকতে নাওগো চিনে কর্মটি তোমার৷
কর্ম কি তোমার ও মন কর্ম কি তোমার৷
এমন ও মানব জনম হবে না তো আর৷

সময় থাকতে ডেকো তুমি আল্লাহ পারোয়ার
কর্ম কি তোমার ও মন কর্ম কি তোমার
এমন ও মানব জনম হবে না তো আর ৷

যদি কর্ম চিনতে পার পাবে নিস্তার
কর্ম কি তোমার ও মন কর্ম কি তোমার
এমন ও মানব জনব হবে না তো আর ৷

সৎ কর্মে পাবে মুক্তি তুমি পরো পার৷
কর্ম কি তোমার ও মন কর্ম কি তোমার
এমন ও মানব জনম হবে না তো আর৷

 

অতঃপর কবিতা

 

আমার দিন গুলো

আমার দিন গুলো

            মিতুল আহমেদ

 

আমার দিন গুলো যায়  তোমার অপেক্ষায়৷
সারাটা দিন থাকো জুড়ে আমার এ হৃদয়৷
তুমি আসবে কবে কোন সে অবেলায় (৷৷)

সন্ধ্যা হলে ঘরে ফিরে, যদি না দেখি তোমায়!
মনটা আমার কেমন করে সে কি বলা যায় ৷
আমার দিন গুলো যায় তোমার অপেক্ষায়৷
তুমি আসবে কবে কোন সে অবেলায় (৷৷)

মনের মাঝে যে সুর বাজে তোমায় ঘিরে রয়৷
কেমন করে তোমার পানে গেল যে হৃদয়৷
আমার দিন গুলো যায় তোমার অপেক্ষায়৷
তুমি আসবে কবে কোন সে অবেলায় (৷৷)

 

অতঃপর কবিতা


নিজের কাজ

নিজের কাজ

                মিতুল আহমেদ 


এসেছো ধরায় করবে বাস,
মনে রয়েছে কতো না আশ৷
খুজলে না তুমি তোমার কি কাজ?
বুঝবে সেদিন তুমি!
যেদিন নামবে জীবনের সাঁঝ ৷

কতো খেলা করে কাটালি সময়,
খুজলিনে তাঁকে মনে ডেকে কয়৷
কবে যাবি ফিরে সেই দেশের তরে,
যে দেশ লুকিয়ে আছে তোর অন্তরে৷

ভাবলিনে মন যাবি কিসে?
সেখানে যায় না যাও ভেসে ভেসে৷
মায়ার ডোরে গেলি ফেসে!
ভাবলিনে তোর মুক্তি কিসে?

অতঃপর কবিতা

আমার প্রেম

আমার প্রেম

                মিতুল আহমেদ

 

আমার প্রেম কে কইরো বরণ
আমি মরার পরে গো,
যেন তোমার আমার ছিল পিরিত
কেউ না জানতে পারে গো (৷৷)

বেঁচে থাকতে হইলো না প্রেম
মরলাম ঘুরে ঘুরে,
জানতে তুমি ছিলে কোথায়
দেখাতাম বুক চিরে,
আমার প্রেম কে কইরো বরণ
আমি মরার পরে (৷৷)

মরলে আমি সবার সামনে কাঁদবে কেমন করে
আমার স্মৃতি রাইখো তুলে তুমি যতন করে
আমার প্রেম কে কইরো বরণ 
আমি মরার পরে (৷৷)


অতঃপর কবিতা

মূল্যবোধ

মূল্যবোধ

            মিতুল আহমেদ 


চরিদিক শূন্য-----!
এ কিসের শূণ্যতা?
এতো মানুষ এতো ভিড়,
তবু খাঁখাঁ করে মনের নীড়৷

এযে শূণ্যতা এযে শশ্মাণ এযে অসারতা,
ছোট্ট হার্টে মৃদু কম্পনে জেগে ওঠে ব্যথা৷
কবে আসবে পূর্ণতা?

হে কবি ------------------------?
কিসের এতো শূণ্যতা?
কেন শূণ্য তোমার মনের নীড়?
তোমার মনে কি দোলা দেয় না?
এতো!  এতো মানুষের ভিড়৷

আমি তো মানুষ খুঁজিনি,
আমিতো খুজেছি মূল্যবোধ,দায়িত্ববোধ৷
যা দিয়ে করবো দশের ঋণ পরিশোধ৷
তুমি কি দেখ সেই পূর্ণতা?

হে কবি-------------------------------?
কিসের এতো ব্যাকুলতা?
এতো প্রেম, এতো সৌন্দর্য চারদিক৷
তবু কেন এমন ভাবনা করলে ঠিক?

তুমি কি দেখোনি, মানুষের অবক্ষয়?
তুমি কি দেখোনি নীতির বিশর্জন?
তুমি কি দেখোনি সেই পরিবেশ?
যেখানে মূল্যবোধটা হচ্ছে তিলে তিলে শেষ৷

অতঃপর কবিতা

ফাঁকিবাজ

ফাঁকিবাজ

মিতুল আহমেদ


কাজ আছে! কাজ নেই! 
কাটছে সময়,
লুকোচুরি খেলাতেই৷

আমরা আছি কয়েক জন,
করি মেশিন অপারেশন!
যাচ্ছে কেটে বেলা,
করে লুকোচুরি খেলা৷

আছে কিছু লোক কাজে করে হেলা৷
তাদের নিয়ে হয়েছে যে জ্বালা৷
ধুমপানে বিষ পান জানে তা সবাই!
তবু তারা এই বলে কাজে ফাঁকি দেয়৷

অতঃপর কবিতা


হাওয়া ভেসে যায়

হাওয়া ভেসে যায়

            মিতুল আহমেদ

 

হাওয়া ভেসে যায়,
তুমি পাশে নাই
কি হবে এমন ফাগুন বেলায় (৷৷)

তুমি ছাড়া এ ফাগুন বিশাদ ময়,
কাছে এসে ভালোবাসো না আমায়৷
সারাক্ষনই চাইছি আমি যে তোমার,
বলো না তোমায় কোথা গেলে পাই,
কি হবে এমন ফাগুন বেলায় (৷৷)

একা একা যে আমার কাটে না সময়,
দিন গুলো কাটে তোমার অপেক্ষায়৷
তবু কেন তোমার দেখা নাহি পাই,
কি হবে এমন ফাগুন বেলায় (৷৷)


অতঃপর কবিতা



২১ শে ফেব্রুয়ারি/কিবতা

ভাষার তরে যে বলি দান

মিতুল আহমেদ

 

ভাষার তরে যে বলিদান দিয়েছে বাঙ্গালী,
  সারা বিশ্বে এমন নজীর নেই তা জানি৷
এই ভাষাতেই প্রাণের কথা করি মোরা বক্ত,
ভাষাকে তাই ভালোবেসে ওরা দিয়েছিলো রক্ত৷ 

রাখতে বাংলা ভাষার মান,
ওরা দিয়ে গেল নিজ নিজ প্রাণ৷ 
নিজ প্রাণ বলিদানে তাঁরা পেয়েছিল সুখ,
প্রাণ দিয়ে তাঁরা করেছে উজ্জ্বল এই ভাষার মুখ৷

বাংলা আমার মায়ের ভাষা,

বাংলায় সুখ,শান্তি ভালোবাসা৷
বাংলা ছাড়া মেটেকি আশা,
বাংলা আমার শিখড়, আমার বাসা৷

বাংলা ভাষার স্মরনিয় দিন একুশে ফেব্রুয়ারি,

একথা চিরকাল মনে থাকবে সবারই৷
যাদের বলিদানে পেলাম প্রাণের ভাষা,
তাদের স্মরনে আজ এই প্রভাত ফেরিতে আসা৷

তাঁদের স্মরনে হয়েছে প্রভাত ফেরি,

কতো ব্যথা নিয়ে মোরা তাঁদের স্মরন করি৷
কতো না আদরের সোনার টুকরো ওরে৷
হারিয়েছি ভাই আমরা ভাষার তরে,
                                  
অতঃপর কবিতা


নানা রঙ্গের দিন

নানা রঙ্গের দিন

            মিতুল আহমেদ

 

ভোরের সূর্য উঠলো,
                          আবার ফাগুন আসলো৷
আজ ফাগুনের প্রথম প্রহরে,
                               ভীষণ মনে পড়ছে যে তোরে৷

মোর জীবনের এই বেলা,
                              ছিল কতো না রঙ্গের খেলা৷
দুচোখে স্বপ্নের সাজিয়ে মেলা,
                                  ভাসিয়ে ছিলাম আশার ভেলা৷

ফাগুেনর বুকে কতো না রঙ,
                                        দেখেছি জীবনের নানা ঢঙ৷
ফাগুনের রঙে সব হলো যে রঙ্গিন,
                           তবু আজ কেন আমি এতোটা মলিন৷

 দুঃখ বেদনায় ঢাকা মোর দিন,
                        ফাগুনের রং মেখে হয়েছি রঙ্গীন৷
জীবনের যত দুঃখ বেদনা ক্লেশ,
                        ফাগুন এসেছে তাই হবে সব শেষ৷



অতঃপর কবিতা

মিষ্টি মেয়ে

মিষ্টি মেয়ে

              মিতুল আহমেদ


চলার পথে দিয়েছি তোমার প্রতি দৃষ্টি!
তোমায় দেখেই আমার মনে হয়েছে প্রেম সৃষ্টি৷
বর্ষার মেঘ ছাড়া হয় কি কখনো বৃষ্টি?
বলনা আমার প্রাণ প্রিয় মিষ্টি৷

তোমায় নিয়ে সারাক্ষণ
কতো কিছু ভাবে এ-মন
বলতে চাই একটি কথা
দেবে না তো প্রাণে ব্যথা?
তোমায় ভালোবাসি জানোকি সেথা!

তোমার কাছে থাকে পড়ে আমার এই মন
সময় করে তাকে তুমি করিও যতন ৷
সারক্ষণই এই মনে তোমার বসবাস
তাতে যদি হয় হোক আমার সর্বনাশ৷

ভালোবেসে বাঁধবো দুজন ছোট্ট একটি ঘর
তুমি মিষ্টি বউ আর আমি হবো বর৷
কাটবে সময় খুনসুটি আর প্রেমের খেলা করে,
তুমি কিন্তু যেওনা মিষ্টি আমায় একা করে৷


মিষ্টি মেয়ে

পত্র কাব্য

প্রিয় পলা

            মিতুল আহমেদ


আমার হৃদয় জুড়ে রয়েছো তুমি
তোমায় ছাড়া একা যে আমি ৷
আমার ভালোবাসাকে করোনা হেলা
তুমি যে আমার প্রাণের “পলা”! 

তোমায় নিয়ে কত স্বপ্ন কত যে আশা
তুমি বললেই দুজন মিলে বাঁধবো মোরা বাসা
তুমি হবে আমার খুব আদরের বউ!
খুব যতনে করবো আদর দেখবে না তা কেউ ৷

তোমায় দেব আমার যত আছে ভালোবাসা  ৷
এই আশাতেই পলা তোমার কাছে আসা ৷
তোমায় নিয়েই আমার স্বপ্ন দেশে ভাসা ৷
থাকবো মোরা এক সাথে আর থাকবে মোদের আশা

তোমার খুশি তোমার হাসি
সে যে আমার প্রাণের বাঁশি
তোমার দুঃখ তোমার কান্না
সে যে আমার হৃদয় ভাঙ্গার বেদনা ৷

মিষ্টি সুরে দুষ্টু কথা বলতে তুমি পারো
এমন করে বলতে কথা শুনি নাইতো কারো
করবে কিন্তু রোজই তুমি গল্প কিছু আরো! 

তোমার ও কথা যেন লাগে ছন্দময়
তোমার কথা শুনে প্রাণে জাগে যে বিষ্ময়! 

তোমার মতো কাউকে তো আমি দেখি নাই
তোমার মাঝে আমি সুক খুজে পাই!
আজকে তবে রাখছি “পলা” আজ আর নয়!! 

                                      ইতি তোমার কানাই ৷ 


প্রিয় পলা


মন চুরি

মন চুরি

            মিতুল আহমেদ


ভালোবাসা হয় না তো জোর করে
ভালোবাসা থাকে যে অন্তরে
তুমি আমার কোথায় আছো
সে কথা বলি কি করে ----------
আমার এ মন চুরি হয়েছে গোপনে (৷৷)

জানি না আমার একি হলো
কখন যে আমি বেসেছি ভালো
আমার এ ভালোবাসা দিয়েছি তোমার চরনে
আমার এ মন চুরি হয়েছে গোপনে (৷৷)

তোমাকে দেখেই মনে জাগে শিহরণ
এ কোন অনূভুতি কি যে জ্বালাতন
রোজই তুমি আসো আমার স্বপনে 
আমার এ মন চুরি হয়েছে গোপনে (৷৷)

মন চুরি

ফাগুন দিল নাড়িয়ে

ফাগুন দিল নাড়িয়ে

        মিতুল আহমেদ


দাড়িয়ে দুটি হাত বাড়িয়ে,
ফাগুন দিলো যে নাড়িয়ে৷

ঘুম ঘুম চোখে হলো যে ভোর
আমায় মনে পড়ে কি তোর?
এমনি ফাগুন পাতা ঝরা দিনে,
হয়েছিল দেখা তোরই সনে ৷

ফুটেছিল ফুল কত না রঙে
কোকিল ডেকেছিল বনে বনে ৷
কত গান, কত সুর, কত কথা মনে,
সেই কথা সেই সুর আজ জাগে প্রাণে ৷

আজ ফাগুনে সেই সুর শুনে,
প্রেম জেগেছে সবার মনে৷
প্রেম ভালোবাসা নিয়ে এসেছে ফাগুন
তাইতো সবার মনে পিরিতের আগুন

বসন্তের কবিতা

ভালোবাসো কী আমায়

ভালোবাসো কী আমায়

        মিতুল আহমেদ


ফেসবুকেতে হলো প্রথম পরিচয়
একটু একটু করে সবই জানা হয়
ভালোবাসো কী আমায়         (৷৷)

আস্তে আস্তে কাছে আসছি তোমার
তবু কেন একা একা  লাগে গো আমার
তোমাকে নিয়ে ভাসি স্বপ্ন ভেলায়       (৷৷)

ভালোবাসো কী আমায়     (৷৷)

যদি না পাই বন্ধু ম্যাসেঞ্জারে
ঝড় ওঠে আমার এই অন্তরে
তোমাকে ভেবেই কাটছে সময়  (৷৷)

ভালোবাসো কী আমায়         (৷৷)

ভালোবাসো কি আমায়

প্রাণের হাসি

প্রাণের হাসি

            মিতুল আহমেদ 


আমার কথায় হাসে না কেউ!
আমার মুখের কথা নাকি শুধু ঘেউ ঘেউ! 
দুঃখ দিতে চাইনি আমি বুঝলো না তা কেউ ৷
আমার দোষেই মুখের হাসি হারিয়ে ছিলো কেউ!

দুঃখ আমি চাইনি তোমায় দিতে
চেয়েছি শুধু কিছু কথা ভাগ করে নিতে!
আমার কথায় তুমি দুঃখ পেলে নাকি?
সুখ-দুঃখ না হয় করলাম ভাগাভাগী!

মজা করতে অনেক রকম কথাই আমি বলি,
তাই ভেবো না আমি কথার খেলা খেলি!
বলার চেয়ে শুনতে আমি ভালোবাসি!
তবু তোমার মুখে ফোটে না তো হাসি!

দেখেছি আমি তোমার গালে হাসির টোল!
ঐ হাসিটাই আমার প্রাণে বাজিয়েছিল ঢোল!
হাসির ছন্দে প্রাণে জেগেছিল মোর দোল!
গোমড়া মুখো এবার না হয় দুঃখগুলো ভোল ৷


প্রাণের হাসি

সরল মানুষ

সরল মানুষ

                মিতুল আহমেদ


একটা আছে সরল মানুষ!
বাড়ি তাঁহার গ্রাম চন্ডিপুর।
নামটি হলো খাজা তাঁহার,
স্বদয় চলে সরল পথে
দায়িত্ব তাঁহার অনেক কাধে!

পাপ পূণ্য বোঝেনা সে
চলে নিজের মতো!
সবাই তাকে পাগল বলে
হেয় করে কতো!

ধর্ম সভা সেমিনারে যায় সে যে ছুটে
পূণ্য কিছু হলেও সাথে খাবার কিছু জোটে
সবাই বলে খাবার লোভী খাজা
খাবার প্যাকেট আনছে পাজা পাজা!

আমি - বলি ওরে অবুঝ!
অন্তরে কিছু উত্তর খোজ।
রিজিকদাতা রিজিক রাখেন
সে না দিলে কি আপনি পাবেন?

শুনেছি ভাই জান্নাতে গরীব মানুষ বেশি
তাই তো আমি গরীব বলে হয়েছি অনেক খুশি।
গরীবের হিসাব নিকাশ হবে অনেক সহজ
এবার বলো খাজার তবে হলে কিসের দোষ?

ধর্ম সভার খাবার দিয়ে ক্ষুধা নিবারন হয়
তাইতো খাজার ছেলে মেয়ে হাসি খুশি রয়।
এমনি এমনি খাবার, কয় জনে বা দেয়?
নিষিদ্ধ কাজে ভাই, করে সবাই ব্যয়।

একটা গরীব সহজ সরল মানুষ যদি পাই।
তাঁর মাথাতে কাঠাল ভেঙে খাই যে সবাই।
জানি না কার মুক্তি কিসে ?
ভেবে ভেবে হারায় দিসে।


কার মুক্তি যে কিসে হবে তাতো জানা নাই

কার মুক্তি যে কিসে হবে তাতো জানা নাই

    মিতুুল আহমেদ



কার মুক্তি যে কিসে হবে তাতো জানা নাই
হবে মুক্তি নিশ্চিত জানি কর্ম যদি ভালো হয়
সদ্বয়ই সরল পথে কর্ম করা চাই (।।)

ও তুই চলি যদি সরল পথে অন্তর রাখিস মার্জিত
জানবি রে তুিই মুক্তি যে তোর হবে নিশ্চিত
সরল পথে চলতে হলে আসবে অনেক বাঁধা ভাই 
কার মুক্তি যে কিসে হবে তাতো জানা নাই (।।)

জাত ভেদাভেদ নাই রে ভাই
সঠিক কর্ম করা চাই।
কর্ম গুনেই আমি মিতুল যেন মুক্তি পাই
কার মুক্তি যে কিসে হবে তাতো জানা নাই (।।)


গুণ কালো না মানুষ কালো

গুণ কালো না মানুষ কালো

        মিতুল আহমেদ


বউটা হয়েছে কালো!
মনটা যে খারাপ হলো।
মা চেয়েছে সুন্দরী!
ছেলেটা এটা করলো কী?

ছেলের বউয়ের মুখ না হলে সাদা
প্রতিবেশীরা ছিটাবে মুখে কাঁদা!
সংসারে সে যদিও ছড়ায় আলো!
তবু বলবে সবাই বউটা হয়েছে কালো।

কানা, খোড়ায় কি আসে যায়!
সুন্দরী ভাই, সুন্দরী চাই।
হলেও হাজার গুণের অধিকারী,
ফল পাবে না তুমি কালো নারী।

যদিও অকাট মূর্খ হয়,
সুন্দরীরা প্রশংসা পায়।
সাদা-কালো ও কিছু নয়
কর্ম গুণই আসল রে ভাই।

তোমাকে যে ভুলতে পারি না

তোমাকে যে ভুলতে পারি না

মিতুল আহমেদ


শোনো গো মায়াবি ললনা 
করো না আমার সাথে ছলনা
তোমাকে যে ভুলতে পারি না (।।)

তোমার ঐ মিষ্টি মুখের মায়ায়
পড়েছে ধরা আমার এ হৃদয়।
সে কথা তোমার অজানা (।।)

কখনো যদি আমি না দেখি তোমায়
আমার এই বুকে যেন তোলপাড় হয়
সে কথা তোমার অজানা (।।)

প্রথম দেখেই ভালোবেসেছি তোমায়
তাইতো এই মনে হারাবার ভয়।
সে কথা তোমার অজানা (।।)




কালো মেয়েটি

কালো মেয়েটি

            মিতুল আহমেদ


গাঁয়ের রংটি তাঁহার কালো
সে যে আমার জীবনের আলো!

সে যে লক্ষ্মী মনত্ব মেয়ে।
সব দায়িত্ব কাধে নিয়ে,
আমায় বেসেছে ভালো
গাঁয়ের রংটি তাঁহার কালো!

নাকটি যে তাঁর লম্বা বাঁশি
মুখে আছে মিষ্টি হাসি।
চেহারা দেখ বেশই ভালো।
গাঁয়ের রংটি তাঁহার কালো!

এমন অনেক মানুষ আছে চামড়া যাদের সাদা।
ভেতরে তাদের লেপটে আছে কাঁদা।
গাঁয়ের রঙে যায় আসে না মনটা যাদের ভালো।
কালো হলেও এই দুনিয়ায় ছড়ায় তাঁরা আলো!


দেহ মাঝে কে আছে রে

দেহ মাঝে কে আছে রে!

    মিতুল আহমেদ

 

দেহ মাঝে বিরাজ করে
এক অচিন যাদুকরে।
তাঁরে ধরতে গেলে দেয় না ধরা
কেমনে বলো ধরে?

 সে যে দেখা দেয় না কথা কয় না
শুধু করে নড়া-নড়ি
কেমনে তাঁরে ধরি?

ঐরূপ যদি দেখতে পারি 
বস্তু নিষ্ঠ হবো ভারি
কেমনে তাঁরে ধরি?