জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

  • This is Slide 1 Title

    This is slide 1 description. Go to Edit HTML and replace these sentences with your own words. This is a Blogger template by Lasantha - PremiumBloggerTemplates.com...

  • This is Slide 2 Title

    This is slide 2 description. Go to Edit HTML and replace these sentences with your own words. This is a Blogger template by Lasantha - PremiumBloggerTemplates.com...

  • This is Slide 3 Title

    This is slide 3 description. Go to Edit HTML and replace these sentences with your own words. This is a Blogger template by Lasantha - PremiumBloggerTemplates.com...

ফিরছি আমি

ফিরছি আমি

            মিতুল আহমেদ


ফিরছি আমি ঢাকা রে ভাই
ফিরছি আমি ঢাকা!
সবাইকে ফেলে রে ভাই
ফিরছি আমি একা!
হচ্ছে মনটা খারাপ রে ভাই
হচ্ছে মনটা খারাপ!
তবু তো জীবটা রে ভাই 
করবে না আর মাফ!
চাকরি নামের জেল খানা ভাই
চাকরি নামের জেল খানা!
তবু কাজ করি রে ভাই
প্রয়োজন তো মানে না!
পেটে আছে ক্ষুধারে ভাই
পেটে আছে ক্ষুধা!
তাইতো আপনজনদের ফেলে চলে আসা।






অপরিচিতা তুমি চিনবে তো

অপরিচিতা তুমি চিনবে তো?

        মিতুল আহমেদ


জীবনে কখনো যদি দেখা হয়
চিনে নিতে পারবে কি আমায়
আমার কথার ছন্দ শুনেছো নিশ্চয় 
চিনে নিও শব্দ ধ্বনির মুখরতায়!!

কখনো কোন দিন দেখিনি তোমায়
শুধু চেয়েছি জানতে এ ধরায়
শুনেছি তোমার সুমধুর কন্ঠের শব্দ
দেখেছি তোমার হাতের লিখন শিল্প
হয়তো তোমার স্পর্শগুলো আমি চিনবো!!

মনে রাখার মতো হয়নি পরিচয়
তবু কেন এ হৃদয় পোড়ে বিরহ জ্বালায়
হঠাৎ যদি দেখা হয় এক অবেলায়
চিনে নিতে পারবে কি শত অবহেলায়!

যদি আমি এই ধরায় তোমায় পেতাম
এক জীবনের সবটুকু তোমাকে দিতাম
রাখঢাক রেখে আমি তোমারই হতাম
শত দুঃখেও জীবন হেসে পাড়ি দিতাম!



আমি তুমি হারা


আমি তুমি হারা

                মিতুল আহমেদ


রোদ ঝলমল দিনে 
বিশুদ্ধ জল বিনে 
যেমন কাটে দিন 
তোমায় ছাড়া একা আমি 
তেমনি সঙ্গী হীন!! 

সকাল বেলা শান্ত চারি পাশ 
তোমার কথা উঠলে মনে 
জান করে হাসফাশ!! 
আবার কবে ফিরবে তুমি?
স্নিগ্ধ সকাল হয়ে? 

পবিত্রতায় মন ভরাবে 
আবার জানি কবে?  
মনটা আমার প্রশ্ন করে  
আমায় ফেলে কেন গেলে?  
উত্তর পাই না খুজে!  
আমি ত্রিভুবনে??

stanzapoem.blogspot.com



গল্প

টুনটুনিদের গল্প

মিতুল আহমেদ

অনেক দিন পর টুনাটুনি দুজনেই বেশ খুশি । এই খুশির কারন তাদের ঘর আলো করে এসেছে তাদের সন্তান ।
টুনটুনিদের গল্প
 আমি বাবা-মার একমাত্র সন্তান আমার নাম “টুনটুনি” । আমাকে নিয়ে তাদের আনন্দের সীমা ছিলনা।

ঋণ নয় পাপ

ঋণ নয় পাপ

        মিতুল আহমেদ

স্বার্থ বন্ধুত্বকে গভীর করে!!!
স্বার্থ ফুরালেই সব কেটে পড়ে!!
দুধের মাছি জানি সকলেই হয়!!
অসহায় হয়ে দেখ কেউ কারো নয়!!
একটু খানি বুদ্ধি করে ছদ্মবেশ নেন!!
প্রমানটা হাতে হাতে আপনি পাবেন!!
বন্ধুর অস্তিত্ব বর্তমানে পাবেন না খুজে!!
বিপদ দেখলে বন্ধুরা সব থাকে চোখ বুজে! 
বেইমান আর প্রতারকে দেশ গেছে ভরে!
বিশ্বাস তাই উঠে গেছে সকলের তরে!!
বিশ্বাস নিয়ে করছে সবাই খেলা!!
আজ ভাসছে না আর বন্ধুত্বের ভেলা!

stanzapoem.blogspot.com

উক্তি

উক্তি



জীবনের অনেক সহজ অনুভুতি গুলো জীবনের জটিলতায় পড়ে কখনো কখনো অপ্রকাশিতোই থেকে যায়!!! অথচ ঐ সহজ অনুভূতি গুলো যদি প্রকাশ করা যেতো তবে জীবন টা অন্য রকম হতো!!!

                                                                                                                                          ...........মিতুল আহমেদ।

তোমাকে নিয়ে যে ভাবনা আমি ভাবি তা যদি তোমার সম্মূখে প্রকাশ করতে পারতাম তাহলে আমার জীবনটা সাদা-কালো নয় রঙিন হতো!!
                                                                                                                                        .............মিতুল আহমেদ।


কোন বন্ধু যদি বন্ধু কে সহজ করে সহজ কথাটা বলতে পারতো তাহলে বন্ধুত্বের স্বাদ তেতো হতো!!
                                                                                                                                         ............মিতুল আহমেদ।
 
আমি তোমার জন্য কতোটা করেছি সেটা যদি সহজ করে বলতে পারতাম তাহলে প্রকৃতি আমাকে অসম্পূর্ণ করে দিতো!!
                                                                                                                                         ............মিতুল আহমেদ।

অতঃপর কবিতা

হাহাকার

হাহাকার

            মিতুল আহমেদ




বঙদেশের পরিচয় মাছে ভাতে হয়
মাছে ভাতে বাঙালি সবইতো কয়
মাছ তো শৈশবেই গেছে হারিয়ে
চালের দাম বাড়ছে সব কিছু ছাড়িয়ে!!

দুই মন ধানের দামে এক কেজি গোশত
চাষা বলে এই আমরা আছি বেশ তো
চালের বিক্রির জন্য হচ্ছে সিন্ডিকেট
অসাধুরা সুযোগ বুঝে ভরাচ্ছে পকেট!!

গরিবরা সব অসহায় করছে হাহাকার
তাঁরা হয়তো পেট পুরে খাবে না আর
চালের মজুদ যথেষ্ঠ বলেছে সরকার
তবু কিছু অসাধু ছাড়ছে হুংকার!!

সকালে সবাই মিলে খেয়েছি পান্তা
এখন তো শুরু হলো নতুন চিন্তা
রাতের চালের জোগাড় কি হবে সস্তা?
বড়লোকের খাদ্য হলো দুধ আর পাস্তা!!

চিন্তা এখন মনে মনে খাবো রাতে কি?
চালের দামে দুই কেজি আটা কিনেছি!
ছোট ছোট ছেলে মেয়ে চাই খেতে ভাত
ওদের কথা সবার মনে দেবে আঘাত!!


প্রেম আলাপন

প্রেম আলাপন

মিতুল আহমেদ

মন ভালো নেই!!
কেন?
মনের বড্ড অসুখ করেছে!!
তাই বুঝি??
হুমম!!
তা রোগের নাম কি??
মন খালি খালি তুই তুই করে
এমনে ভালোবাসা চুই চুই করে
বাবা!! এটা আবার কি রোগ
হুমম এটাই রোগ
তো আমি কি প্রেম রোগ বিশেষজ্ঞ ??
শোনো গো রুপসী ললনা
আমাকে যখন তখন
চোখ রাঙানো চলবে না
তো কি আদর করবো??
আমি পাথরে ফুল ফোটাবো শুধু ভালোবাসা দিয়ে!!
হুমম শখ কতো??
তুততুরু তুততুরু সানাই বাজিয়ে
যাবো তোমায় শ্বশুর বাড়ি নিয়ে!!
দূর!!! যা ভাগ!!
এক পা দুপা করে তোমার দিকে যাচ্ছি চলে কেমন করে!!
কোন সে টানে টানছো আমায় পারি না রাখতে নিজেকে ধরে!!
দূর!! আমিই চলে যাচ্ছি??
যেওনা সাথী চলেছো একেলা কোথায়
পথ খুজে পাবে না তো শুধু একা!!!
উহহহ!! ভাললাগে না!!!
ঝর্ণা ঝর্ণা ওগো ঝর্ণা বিবি
করে না করে না এতো রাগ করে না!!
চাস কি তুই??
আমি তোমার মনের ভিতর একবার ঘুরে আসতে চাই??







নীল কথা

নীল কথা

                মিতুল আহমেদ


নীল জানি রঙ হয়
কথা কি নীল হয়?
বিষের রঙটা নীল জানি
কথার রঙটা কি?
প্রেমের রঙটা গোলাপী
প্রকৃতির হয় সবুজ
কথার রঙটা কি?
তাই জানতে মনটা অবুঝ
যদি হই মধুর আলাপী
তাহলে কথা হবে গোলাপী
যদি তাতে থাকে আবেগের ছোঁয়া
তাহলে কথা হয় গেরুয়া
যদি থাকে হতাশা আর গ্লানী
তবে কথার রঙটা হবে বেগুণী
যদি থাকে রাগ আর বুঝ
তবে কথার রঙটা হবে সবুজ
যদি হয় হিংসা ভরা দিল
তবে কথার রঙটা হবে নীল
যদি তোমার থাকে মায়া দয়া
তবে কথার রঙটা হবে হলুদিয়া
ভেবে বলো তুমি হবে কোনটা
নীল, কালো, হলুদ, নকি সাদা !!





ত্বত্ত্ব কথা

  ত্বত্ত্ব কথা 

            মিতুল আহমেদ


প্রেমের খেলায় কৌশল আছে
তা কিছু কৌশল জানাই আছে
আর যে টুকু বাকি আছে
শিখে নেবো গুরুর কাছে!!

প্রেম খেলা হবে রে সহজ
পেলে সেই দিক্ষা গুরুর খোজ
গুরু যদি দেয় গো দিক্ষা
থাকবে না আর অপেক্ষা!!

জানবি রে তুই ত্বত্ত্ব
যদি থাকিস প্রেমে মত্ত 
ত্বত্ত্ব ভেদে কথার প্যাচে 
খেলবে গুরু শিষ্য!!


নিবেদন

নিবেদন

            মিতুল আহমেদ


কাব্য কি গাঁথা যায়? 
কাব্য তো কথা হয়
কাব্য গাঁথায় মনের খাতায়
৫লাইন লিখতে যে চায়!!

সময় হবে পড়বে বলে?
কাব্য করে বলবে বলে!!
ও মুখের আবৃত্তি যেন বৃষ্টি মালা!!
রিমঝিম শব্দে মন করে উতলা!!

বলবো তোমায় কাব্য ধারায়?
মনের কথা করে ছন্দময়!!
শুনতে যদি না চাও
একটি বার বিদায় দাও!


ভাষার সম্মান

ভাষার সম্মান

            মিতুল আহমেদ

 

ভাষার আধুনিকায়ন জানি রম্য রচনা
সবাই আজ পথে ঘাটে ছড়াচ্ছে রটনা
ভাষাকে সংক্ষিপ্ত করছে দিনে দিনে
মুখের বুলি শুনে সংশয় বাড়ে মনে
রম্য রচনায় রসবোধ বেশি
কি করে বলি কতটা ভালোবাসি!!
এহেন রচনা পড়িতে চাই মনেতে
কিছুতে পারিনা আমি যে ভুলিতে!!
বারে বারে মনে পড়ে কমলা কান্তকে
রসিকতা দিয়ে অসংগতি দেখাতো সে!!
ভাষা জ্ঞান আছে বটে ভালোবাসা নাই
তাইতো ওরা ভাষাটাকে করছে হাই-ফাই!
ব্রাদার কে ওরা বলে না কি ব্রো??
আর কিছু শিখতে কি বাদ আছে বলো!!
রম্য রচনার প্রয়োজন নাহি হয়?
সকলের মুখে মুখে ঘুরে সে বেড়ায়!!
এ হেন ভাষা প্রেম এখন দেখতে পাই
ভাষা বিজ্ঞানী জেন মূর্খ সবাই!!
রম্য তাই পড়তে নয় শুনতে যে পাই!!
হাতে এদের সময় কম, সদা ছোটাছুটি
তাই তো ভাষা নিয়ে এই খুনসুটি!!
মনের মাঝে যদি থাকে ভাষার জ্ঞান
আসুন তাকে একটু হলেও করি সম্মান।



তুমি হারা

তুমি হারা

            মিতুল আহমেদ

 

মন যদি দুঃখে থাকে
নয়ন কি তা সইতে পারে!!
মনের দুঃখে নয়ন ঝরায় জল
আমার কি দোষ ছিল তুই বল
মনের দুঃখে নয়ন দেয় যে সাড়া
আজ আমি হলেম তুমি হারা !!




তোমায় নিয়ে

তোমায় নিয়ে

            মিতুল আহমেদ


তোমার চোখে চেয়ে থেকে

মরণ যেন আমার হয় গো

তোমার মুখের কথায় যেন

আমার কানে বাজে গো
তোমার প্রাণের ধুকপুকুনি
আমার প্রাণে বাজে গো!!!
তোমার কথা আমার কানে
কত মধুর শোনায় গো
তোমার শাসন আমার প্রাণে
ভালোবাসা জাগায় গো
তোমার বিরহ আমার হৃদয়ে
কত না যাতনা ছড়ায় গো
তোমার ঠোটের রঙ 
আমার ঠোটে লাগাবো 
তোমার ও চোখে কাজল 
দু’হাতে আমি পরাবো 
তোমার ও চুলে সুগন্ধি তেল 
আদর করে মাখাবো!!
তোমার কানে কানফুল 
যত্ন করে রাখিও 
নাকফুলটার খেয়াল
হৃদয় দিয়ে করিও
তোমার নাকে সোনা হবো 
এইটুকু মোর আশা 
সত্যি করে বলো দেখি 
বাঁধবে নাকি বাসা?



I will go home/এবার যাবো বাড়ি/Ebara yabo baṛi/কবিতা

এবার যাবো বাড়ি


মিতুল আহমেদ


ছুটি হলো আজ
নেই আর কাজ
অবসরে আছি পড়ী
তাই বাড়ির পথ যে ধরি

যাবো বাড়ি তাই 
সময় না যাই
কী করি ভাই
কোন কাজ নাই

বাড়ি আছে বাবা-মা
কত দিন হলো তাদের দেখি না
এবার যাবো বাড়ি
সব কাজ কর্ম ছড়ি।




Dear father/সাধু বাবা/Shadu baba/কবিতা

সাধু বাবা


মিতুল আহমেদ


এক, দুই, তিন করে হলো বেশ শুরু
কাজের  নইতো আমি নামের গুরু
সাধু বাবা, সোনা বাবা ডাকে যে সবাই
তাঁরা যে সকলেই ভোগে হতাশায়

ধরেছি আমি সাধুর বেশ
এই তো আছি আমি, করছি আয়েশ
মাথাতে নেই কোন চিন্তার রেশ
বসে বসে খাবো তবু হবে নাতো শেষ

সাধু আমি এই কথা বলি ভুরি ভুরি
সুযোগ পেলেই করি পুকুর চুরি
খাদেম আমার বাড়ছে যে দিন দিন
করেছিলাম শুরু আমি এক, দুই, তিন।


Trouble/kasta/কষ্ট/কবিতা

কষ্ট


মিতুল আহমেদ


উপরে আমরা মানুষ সবাই, ভিতরে একটা মন
কষ্টের কথা বলব এখন কানটি পেতে শোন !

মানুষ ভেদে কষ্ট্ গুলো নানা রকম হয়
তবু কেন নিজের টাকেই বড় বলিস ভাই?
এমন অনেক কষ্ট আছে মনের গভির রই।
যে কষ্টের কথা কেউ কাউকেই না কয়।

এমন অনেক কষ্ট কষ্ট আছে বরে সবাই মুখে
বুঝবি তখন কষ্টে নয় সে আছে অনেক সুখে
হরেক রকম কষ্ট আছে আমার ছোট্ট বুকে!
বলতে গেলেই শুনি আমি আছে সবাই দুঃখে।

কষ্টে থাকা মানুষ গুলো কষ্ট নিয়েই বাঁচে
কষ্টে কথা তাঁরা কয় না কারো কাছে!
যাদের কষ্ট থাকে কিছুটা অল্প
তাঁরাই করে মানুষের কাছে গল্প!

কষ্টে মানুষ পাথর হয় বলে গুরু জনে
অল্প কষ্ট যদি হয় বলে লোকের কানে
কষ্ট যদি বেশি হয় তাঁর ‍মুখে হাসি রয়
ঐ কষ্ট হৃদয় দিয়ে সে যে লুকায়!


Song/গান

গান


মিতুল আহমেদ


আমার মনের দুঃখ মনে রেখে যাচ্ছি করে বাস
বুঝলনারে কেউ আমারে কেমনে নিবো শ্বাস
এখন আমি দেখি শুধুই আমার সর্বনাশ (।।)


সবাই দেখে সুখি আমি 
আমার ভিতর পুড়ে লাশ
মনের দুঃখ মনে রেখে যাচ্ছি করে বাস (।।)


হতাম যদি রোবট আমি
থাকতো না মোর আশ
মনের দুঃখ মনে রেখে যাচ্ছি করে বাস (।।)



গান

গান 


মিতুল আহমেদ


আষাঢ় গেল শ্রাবণ গেল শীতও যে যায় যায়
তবু বন্ধু আজও কেন তোমার দেখা নাই ।।

কবে দেবে দেখা যে আমায় 
সেই আশাতেই দিন যে কেটে যায়
তবু বন্ধু আজও কেন তোমার দেখা নাই ।।

তোমার জন্য আমার এই অন্তর পুড়ে যায়
কবে বন্ধু আসবে বলো আমার আঙ্গীনায়
তবু বন্ধু আজও কেন তোমার দেখা নাই ।।

কোথায় গেলে বন্ধূ আমি তোমার দেখা পায়
তোমারই অপেক্ষাতে আমার প্রাণ চলে যায়
তবু বন্ধু আজও কেন তোমার দেখা নাই ।।




কবিতা

পারসোনালাইজেশন সেন্টার


মিতুল আহমেদ


আমরা কয়েকজন কান্ডারী
স্মার্ট এনআইডি প্রিন্ট করি!

ছাড়িয়া বাড়ি ছাড়িয়া ঘর
রয়েছি অনাদরে পড়ে
এই পারসো সেন্টারে।

ইটিআই এর দশ, এগার
হবে চুয়াত্তর নাকি আরো?
চিনি না তো কারো!

দেশ পেয়িছি যুদ্ধ করে
আমরাও যোদ্ধা ওরে!
রয়েছি অনাদরে পড়ে 
এই পারসো সেন্টারে।

দেশবাসী পাবে পরিচয়পত্র
তাতে ভূমিকা আমাদের একচ্ছত্র।
দেশের এ যুদ্ধ যেন করতে পারি জয় 
হও আগুয়ান ওরে জোয়ান নেই কোন ডর-ভয়

দেশের তরে এই শ্লোগান
কষ্ট হলেও রাখবো যে মান
সবার তরে স্মার্ট আইডি দেবো মোরা পৌছে
সবার কাছে পারসোবাসী এই দোয়াই চাইছে।




গল্প

বিষন্ন ভাইয়োলিন

মিতুল আহমেদ

পর্ব-১

গভির রাত কাজের সাথে সাথে রাত জাগা পাখিদের মত নিরবে রেডিও শুনছি। ভালোবাসা হারিয়ে যারা রাত জাগা পাখিদের দলে নাম লেখায় আমি তাদের দলে নই ! আজ হঠাৎই তাদের একটা বিশাল দলের সাথে পরিচিত হয়ে গেলাম। যারা ভালোবাসা হারায় তাদের প্রত্যেকের মধ্যে একটা কমন ব্যাপার কাজ করে আর সেটা হলো প্রকৃত ভালোবাসাটাকে তাঁরা বাঁচিয়ে রাখতে জানে। ছোট ছোট বিষন্ন আর্তোনাদ আর বেহালার করুন সুর আজ ফেলে আসা দিনগুলোর কথা বড্ড মনে করিয়ে দিচ্ছে! ভাবনা গুলো আজ মস্তিষ্কের স্নায়ুগুলো টান টান করে দিয়ে যাচ্ছে...........................!!



পহেলা পৌষ সেদিন তোমার সাথে আমার দেখা হয়েছিল। এমনই গভির রাত ছিল সে সময়। গভির রাত পর্যন্ত আমি জাগতে পারি না ।কিন্তু সেদিন ছিল রাহুলের বোনের বিয়ে । আর সেই অনুষ্ঠানেই তোমাকে দেখেছিলাম । রাতের লাইটিং গুলোর মতোই তুমি ছিলে উজ্জ্বল ! আপন রূপের আলোয় মাতিয়ে ছিলে বিয়ে বাড়ি । তোমার কি এখনো মনে পড়ে আমাদের মধ্যে হওয়া প্রথম কথা কি ছিল? আমার স্মৃতিতে তা এখনো সজীব হয়ে আছে। তুমি বেখেয়ালে আমার গাঁয়ে নোংড়া পানি ফেলে দিয়েছিলে। আর আমি তোমাকে উদ্দেশ্য করে কিছু বলতে গিয়েই আটকে গেলাম তোমার রূপের ঐ ধারালো অস্ত্রের কাছে। ঠিক কতো সময় আমি তোমার দিকে তাকিয়ে ছিলাম আমার সেটা মনে নেই । গভীর রাতের  স্মৃতি বলতে আমার কাছে আজ এটুকুই আছে । রাত জাগা পাখিদের মতো আমার বিষন্নতার কোন স্মৃতি নেই বলতেই পারি।


___এই তোমাকে না বলেছি রাত জেগে কাজ করবে না !
আমি: এই তো শেষ হয়ে এসেছে।
মাহমুবা: বাদ ! বলেছি না বাদ দাও।
আমি: তাহলে কি করবো । আর তুমি ঘুমাও নি কেন?
মাহমুবা: তুমি ভালো করে জানো যে তোমার হাতের কফি না খেলে আমার ঘুম হয় না । বুঝছো না যে কেন ঘুম হয় না।
আমি: আচ্ছা ঠিক আছে তুমি একটু অপেক্ষা করো আমি এখুনি নিয়ে আসছি।
মাহমুবা: আমি ছাদে তোমার জন্য অপেক্ষা করছি।

আমি চললাম রান্না ঘরে বউ এর জন্য কফি বানাতে! পানি গরম হতে হতেই পরিচয়টা সেরে ফেলি । আমি মুহীব ছোট একটা সরকারি চাকরি করি । আর সেদিনের সেই মেয়েটিই মহমুবা আমার একমাত্র বউ ব্যাস এইটুকুই । অনেকের অনেক রকম পরিচয় থাকে কিন্তু আমার এই টুকুই ভালো লাগে । আমি সাধারণ জীবন যাপনে বিশ্বাসী । এতো ভাবগাম্ভির্য আমার ভালো লাগে না ।

কফির মগ হাতে আমি চললাম ছাদের দিকে। ছাদে গিয়ে দেখলাম মাহমুবা বসে আছে কিন্তু ভাবনায় ডুবে আছে। কাছে গিয়ে..

আমি: এই তোমার কফি।
মাহমুবা: উহ! হ্যা দাও।
আমি: কিছু ভাবছো ? তোমার কি মন খারাপ।
মাহমুবা: না!তেমন কিছু না ।
আমি: তোমার শরীর কি খারপ করছে ? তাহলে কফি থাক চলো ঘুমাবে।
মাহমুবা: না শরীর খারাপ করছে না । তুমি আমার  পাশে একটু বসবে?
আমি: হুম! অবশ্যই বসবো। কিন্তু বলতে হবে কি ভাবছিলে।
মাহমুবা: আচ্ছা বলোতো তোমার রাত জাগার এই অভ্যাস টা কবে থেকে হয়েছে।
আমি: কবে থেকে ? মনে করতে পারছি না। তুমি বলো।
মাহমুবা: তুমি না সব ভুলে যাও। দূর যাও তোমার সাথে কথাই বলবো না।

আমার ইচ্ছা হয় মাহমুবা আমার উপর রাগ করুক । আর গাল ফুলিয়ে বসে থাকুক । কারণ তো সেই একটাই তাই না । না ! তা নয় মাহমুবা কে সব সময়ই ভালো দেখাই শুধু মাত্র রাগলে কেমন ফ্যাকাসে হয়ে যায় মেয়েটা । তাই রাগাই ।
আসলে । সেদিন বিয়ে বাড়িতে ঐ অবস্থার পর পরের দিন আমাদের আলাপ হয় । 
আমি: এই মেয়ে ?
মেয়ে: আমার নাম মেয়ে না । মাহমুবা।
আমি: বাহ! সুযোগ পেয়েই নিজের নাম টা শুনিয়ে দিলেন।
মাহমুবা: তো আপনার টাও শুনিয়ে দিন না ।
আমি: ওরে বাপরে বাপ! এতো মেয়ে নয় যেন রিপোটার।
মাহমুবা: যদি তাই মনে হয় তবে তাই । এখন বলেন তো  আপনার উদ্দেশ্য কি?
আমি: উদ্দেশ্য কি আমার না আপনার?
মাহমুবা: মানে? আপনি কি বলতে চাইছেন?
আমি: আমার গাঁয়ে নোংড়া পানি ফেলার কারণ কি?
মাহমুবা: আসলে আমি ইচ্ছা করে ফেলিনি ওটা ( অনেকটা লজ্জিত হয়ে)
আমি: আচ্ছা আচ্ছা এখন আর লজ্জা পেতে হবে না ।
মাহমুবা: তো আপনার নাম টা কি বলা যাবে।
আমি : আমি মুহীব । বন্ধুর বোনের বিয়েতে এসেছি এখানে।
মাহমুবা: আমার খালাতো বোনের বিয়ে । মানে রাহুল ভাইয়া আমার খালার ছেলে ।
আমি: এখন কি আপনার কোন কাজ আছে ? 
মাহমুবা: না। তেমন কোন কাজ নেই ।
আমি: চলুন না পুকুরের পাড় দিয়ে একটু হেটে আসি। অবশ্য যদি আপনার কোন আপত্তি না থাকে।
মাহমুবা: যেতে পারি একটা শর্ত আছে ।
আমি : কি শর্ত ?
মাহমুবা: শর্ত হলো গল্প করতে হবে। আমি শুনেছি আপনি খুব ভালো গল্প বলতে পারেন।
আমি: ঠিক আছে । কিন্তু একটা সমস্যা আছে । সেটা হলো যদি গল্পের পরিবেশ টা সৃষ্টি হয় তবেই গল্প বলবো।
মাহমুবা: ঠিক আছে চলুন।

                                                                    চলবে.........





কবিতা

আলসে খোকা

মিতুল আহমেদ


বড় বড় কথায় পাকা
কাজে আছে আলসে খোকা
কাজের কথায় বলে যে সে
করবো নাকি একা?
এই কথাতেই বুঝতে হবে 
কতোটা সে বোকা!
গল্প করতে চাই যে খোকা
পারে না সে থাকতে একা!
চালচলনে গুরু গম্ভির
যায় যে তাঁরে দেখা
সাস্থ্য যে তার বেশই ভালো
লোকটা যে সে ব্যাকা!


কবিতা

বন্য নাকি অন্য

মিতুল আহমেদ



সেদিন স্বপ্ন দেখিয়েছি ভালোবাসবো।
মিষ্টি করে বলেছিলাম ও হাত ধরে রাখবো।

প্রেম আলাপে ছন্দ করে 
বলেছিলাম তোমার কানে
রাখবো ধরে তোমার সম্মান 
এই কথাতেই করেছিলাম প্রেমের শুধা পান!

রাখতে আমি পারিনি আমার কথার মান
এই সমাজে তাই হয়েছে চরিত্র তোমার ম্লান।
দোষটা ছিল আমারই!
তবু বুক ফুলিয়েই চলি।

কথার খেলায় রসের আভায়
বলেছিলাম আসতে তোমায়
এসো তুমি অভিসারে!

সে দিনের এ আমন্ত্রণ
হারিয়ে ছিল দু'জনের নিয়ন্ত্রণ
গেছিলো সেদিন তোমার যা ছিল মান
এ সমাজের কাছে বাহবা পাবো আমি
বাড়বে আমার সম্মান! 

নারী তোমায় কালে কালে করেছে হেয়
আমারই মতো কিছু নিচু প্রাণ।
তবু এই সমাজে বাড়ছে পুরুষের সম্মান।


কবিতা

মানুষ নাকি বন্য


মিতুল আহমেদ


মুখে আমি বলি স্বদা
দিওনা কাউকে ব্যথা
সে কেবলই মুখের কথা

হৃদয়ে আছে যে অন্য
ওপরে আমি মানুষ হলেও 
ভিতরে আমি যে বন্য!

আদর করে ডাকি ভাই
কাছে আসলেই সুযোগ চাই
দু'হাতে কাছে ডেকে
মেতে উঠি পিশাচ খেলায়!


কবিতা

মূল্যবোধ


মিতুল আহমেদ


চারিদিক শূণ্য!
এ কিসের শূণ্যতা?
এতো মানুষ এতো ভিড়!
তবু খাঁখাঁ করে মনের নীড়।

এ যে শূণ্যতা এ যে শ্মশান এ যে অসারতা!
ছোট্ট হার্টে মৃদু কম্পনে জেগে ওঠে ব্যথা।
কবে আসবে পূর্ণতা?

হে কবি! কিসের এতো শূণ্যতা?
কেন শূণ্য তোমার মনের নীড়?
তোমার মনে কি দোলা দেয় না 
এতো, এতো মানুষের ভিড়?

না, আমি তো মানুষ খুুঁজিনি।
আমি তো খুজেছি মূল্যবোধ, দায়িত্ববোধ!
যা দিয়ে করবো দশের ঋণ পরিশোধ।

তুমি কি দেখ সেই পূর্ণতা?

হে কবি! কিসের এতা ব্যাকুলতা?
এতো প্রেম, এতো সৌন্দর্য চারদিক।
তবু কেন? এমন ভাবনা করলে ঠিক।

তুমি কি দেখোনি? মানুষের অবক্ষয়।
তুমি কি দেখোনি? নীতির বিসর্জন।
তুমি কি দেখোনি? সেই পরিবেশ
যেখানে মূল্যবোধটা হচ্ছে তিলে তিলে শেষ!